শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পের শিক্ষক, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে সরকারি গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের আবেদন জানানো হয়েছে। ‘মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ’ শেরপুর, বগুড়া শাখার পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর এই সংক্রান্ত একটি স্মারকলিপি উপজেলা নিবাহি কর্মকতা বরাবর প্রদান করা হয়েছে। স্মারকলিপিতে শিক্ষকরা উল্লেখ করেন, ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে শুরু হওয়া এই বৃহৎ প্রকল্পটি দেশের শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণ এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমানে প্রকল্পটির ৮ম পর্যায় চলছে। দীর্ঘ সময়ে এই প্রকল্পের আওতায় ১ম থেকে ৬ষ্ঠ পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি ১৫ লক্ষ ৯ হাজার ১৫০ জন এবং ৭ম পর্যায়ে প্রায় ১ কোটি ২১ লক্ষ ৫১ হাজার শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে।বর্তমানে এই প্রকল্পে প্রায় ৭১,৯৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প ভাতা ও অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। পাঠদানের পাশাপাশি এই শিক্ষকরা সরকারি তহবিলে যাকাত প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণ, বাল্যবিয়ে রোধ, মাদক ও দুর্নীতি বিরোধী সচেতনতা তৈরি এবং টিকাদান কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে এই মহৎ প্রকল্পটি দ্রুত রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা ।সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে ন্যূনতম সরকারি গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান করা ।তাদের চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবী জানান ।